প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, সম্পদ। এরাও সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হতে পারে, তাই অবহেলা করা যাবে না। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা, সেবা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও সহায়ক উপকরণ পেলে প্রতিবন্ধীরাও সামাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে সক্ষম। প্রতিবন্ধীদের বিশেষ চাহিদাপূরণে এবং তাদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের সব পেশার মানুষকে আন্তরিক হতে হবে তাদের প্রতি। তবেই প্রতিবন্ধকতাকে জয় করা সম্ভব হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রচন্ড মেধাবী সেলিম ছোট বেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বর্তমানে স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় আর্থিক সংকট ও পরিবারের স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করছে।খবর পেয়ে পহেলা আগষ্ট বিকেলে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি পশ্চিমপাড়া এলাকায় সেলিম কে দেখতে ছুটে চলে যায় ব্যাচ ৯৭ নারায়ণগঞ্জ। বাড়িয়ে দেয় সহমর্মিতা ও মানবিক সহযোগিতার হাত। সহপাঠীকে আরো সহযোগিতা করতে সকলের প্রতি আহবান জানান ব্যাচ ৯৭ নারায়ণগঞ্জ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জিতু সুমন, আহাম্মদ আলী সজিব, মোঃ সায়েম কবীর, কামরুল হাসান সোহাগ, ফিরোজ আলম ও এম এ মান্নান ভূঁইয়া। সহপাঠীদের কাছ থেকে আন্তরিক ভালোবাসা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সেলিম বলেন, আমার চিকিৎসা করাতে যথেষ্ট পরিমাণ টাকার প্রয়োজন এবং আমি কাজ করে খেতে চাই। চাই সকলের আন্তরিক সহযোগিতা।সেই সাথে সরকারি ও বেসরকারি সুযোগ সুবিধা।