আমরা এমন মানুষের সঙ্গে আত্মীয়তা ও বন্ধুত্ব করতে পছন্দ করি যাদের সঙ্গে মনের মিল রয়েছে।
নিজের ব্যাপারে কিছু বলার পরিবর্তে অন্যের ব্যাপারে জানার আগ্রহ পোষণ করুন। একই সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনুন। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন, বাড়িতে একাকী অবস্থানের সময় তিনি কেমন ব্যবহার করেন কিংবা তার স্বপ্ন এবং লক্ষ্য কী?বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দিন
প্রকৃত বন্ধুরা কখনই আপনাকে ছেড়ে যাবে না। সেজন্যে বন্ধুত্বকে যত্ন করে আগলে রেখে সেটিকে ভালোবাসাপূর্ণ সম্পর্কে রূপ দিন। কারণ বিপদের দিনে প্রকৃত বন্ধুই আপনার পাশে থাকবে।
বর্তমান নিয়েই ভাবুন
আমরা সর্বদাই ভবিষ্যতে কী হবে-তা নিয়ে ভাবি। কিন্তু নিজেকে গভীরভাবে উপলব্ধি করার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে বর্তমানে কি আছে তা নিয়েই মেতে ওঠা। এই মুহূর্তে যা কিছু যেভাবেই হচ্ছে সেগুলোকে ঠিক সেভাবেই গ্রহণ করা।
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
শরীরচর্চা শুধুমাত্র শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও ফিট থাকতে সাহায্য করে। এতে আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে সুস্থ শরীরের পাশাপাশি মনও সতেজ থাকবে। যা আপনার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও আকর্ষণীয় করে দেবে।
সুষম খাবার গ্রহণ করুন
সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে আপনার ত্বক সতেজ ও লাবণ্যময় থাকবে। এমন ত্বকের অধিকারী হতে পারলে আপনি নিশ্চিন্তভাবে অন্যের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবেন।
নিজেকে জানুন
আপনি কী-তা জানুন। সক্রেটিসের কথায়, ‘নো দাই সেলফ’। অন্যকে বুঝার আগেই নিজেকে জানুন। মানুষ হিসেবে সৎ, কর্মঠ এবং পরিশ্রমী হয়ে উঠুন। এতে নিজের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টির পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাবে বহুগুণে।
সব সময় মাথা উচু করে বাচুন। অন্যের সঙ্গে চোখে চোখ মিলিয়ে কথা বলুন এবং নিজেকে সর্বদা উচ্চ স্থানে রেখে চলুন।
পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করুন
নিয়ম মেনে ঘুমোলে আপনি বিশ্রামের ভালো সময় পাবেন, এতে করে ত্বক ও সুস্থ এবং সতেজ থাকবে। আপনার দৃষ্টিশক্তিও উন্নত রুপ ধারণ করবে। রাগ, প্রতিহিংসা, ক্ষোভ ইত্যাদি আবেগের সঙ্গে আপনি ভালোমত খাপ খাওয়াতে পারবেন।